পাতা

সিটিজেন চার্টার

স্তরের নাম

সেবার ধরন,বিবরন ও ভূমি মালিকের   করনীয়

সেবাপ্রদানে     নিয়োজিত

কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগনকে নিজ নিজ জমির  আইল/সীমানা চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

সেটেলমেন্ট অফিসার/সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

২।ট্রাভার্স

কোন মৌজার নক্রা্ সম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্ত্তত করতে যে  কাঠামো স্থাপন করা হয়সেটাই ট্রাভার্স। অতঃপর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্রা প্রস্ত্ততকরা হয়। কোন মৌজার পুরোনো নক্রা্  আর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/

ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

৩।কিস্তোয়ার

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নক্রা্  অঙ্কনের মাধ্যমে কিস্তোয়ার আথবা ব্লু-পিÖ্রন্ট পূরোনো নক্রা্  সংশোধন করেন।

সরদারআমিন/

হল্কাঅফিসার

বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

৪।খানাপুরী

কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্রা্র প্রত্যেকটি দাগের জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ান লিপিবদ্ধ (খানপুরী)  করেন।এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিন দলকে জমির মালিকানাও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থপন করা।

সরদার আমিন/ হল্কা

অফিসার

বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল  অফিসার

৫।বুঝারত

বুঝরত অর্থ জমি বুঝিয়া দেওয়া। এ স্তরে আমিনদল কতৃক খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয় যা ‘‘মাঠ পর্চা’’ নামে পরিচিত। পর্চার্বিতরনের তারিখ নোটিশ /পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকার মাইকিংুএর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভুমি মালিকগনণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরির্বতন আবশ্যক হলে নিদির্ষ্ট (Dispute)ফরম পূরন করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগনের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন।

সরদার আমিন/ হল্কা

অফিসার

বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল  অফিস

৬।খানপুরী

কাম বুঝারত

যখন কোন মৌজা ব্লুুপ্রিন্ট সীটে জরিপ করা হয়। তখন উপরে বর্নিত খানপূরী ও বুঝার ত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

৭।তসদিক   বা এ্যাটেষ্টশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিতহয় ক্যাম্প অফিসে । তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার । জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজ পত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই  করে প্রতিটি বুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয় ।এ স্তরে ও ভূমি মালিকগন পর্চা ও নক্রা্র কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ(Dispute )দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমান উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন । তসদিককৃত পর্চাজমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি (Legal Document)হিসাবে বিবেচিত হয় তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ।

তসদিক অফিসার/উপ-সহকারী সেটেলন্টে

অফিসার।

৮।খসড়া

প্রকাশনা

(ডিপি)ও

আপত্তি দায়ের

তসদিকের পর জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারণের প্রর্দশনের জন্য ৩০দিন উম্মুক্ত রাখা হয়। এর সময়কাল উল্লেখপূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয় ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যোর অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণানুক্রমিক ক্রমবিন্যাস করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয় । তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বর  টি সংগ্রহের জন্য ও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয় ।ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলেসরকার নির্ধারিত ১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রজাস্বত্ব  বিধিমালার ৩০ বিধি অনুযায়ী আপত্তি দায়ের করা যাবে।

তসদিক অফিসার /খসড়া প্রকাশনা

অফিসার ।(উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার)।


Share with :

Facebook Twitter